YJ-20 Hypersonic Missile: চীনের নতুন ক্যারিয়ার কিলার ও নৌযুদ্ধের ভবিষ্যৎ

ভূমিকা

YJ-20 (鹰击-20 বা “ঈগল স্ট্রাইক-২০”) হলো চীনের সর্বশেষ ও সবচেয়ে আধুনিক নৌ-আঘাতকারী হাইপারসনিক মিসাইল। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে আধুনিক যুদ্ধজাহাজের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সরাসরি আঘাত হানা যায়। বিশেষ করে বিমানবাহী রণতরী বা “এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার” ধ্বংস করার ক্ষমতার জন্য একে নতুন প্রজন্মের “ক্যারিয়ার কিলার” বলা হচ্ছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চীন প্রথমবারের মতো এই মিসাইলটি প্রকাশ্যে প্রদর্শন করে “চায়না ভিক্টরি ডে প্যারেড”-এ। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের নৌবাহিনী বিরল একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে YJ-20-এর “ফাইনালাইজেশন টেস্ট” দেখানো হয়। এই ধরণের পরীক্ষা সাধারণত বোঝায় যে অস্ত্রটি প্রায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই নিয়মিত উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হবে।

এই পরীক্ষাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সরাসরি একটি যুদ্ধজাহাজ থেকে বাস্তব লঞ্চের প্রথম সরকারি প্রমাণ। এর মাধ্যমে চীন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে তারা হাইপারসনিক নৌ-যুদ্ধ প্রযুক্তিতে বাস্তব সক্ষমতা অর্জন করেছে। এর প্রভাব পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নৌ নিরাপত্তার ওপর পড়তে পারে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিমানবাহী রণতরী বহরের ক্ষেত্রে।

YJ-20 hypersonic anti ship missile political cartoon illustration

প্রযুক্তিগত গঠন ও নকশার বিশেষত্ব

YJ-20-এর সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো এর বাইকনিক বা ডাবল-কোন আকৃতি। সাধারণ অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের সঙ্গে এর চেহারার বড় পার্থক্য আছে। এই নকশা শুধু দেখতে আলাদা নয়, এর পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কারণ।

হাইপারসনিক গতিতে উড়লে (মাখ ৬ থেকে ৯), মিসাইলের গায়ে প্রচণ্ড তাপ ও চাপ তৈরি হয়। তাপমাত্রা ১,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হতে পারে। এই অবস্থায় সাধারণ কন্ট্রোল ফিন বা রাডার কাজ করা প্রায় অসম্ভব। YJ-20-এর সামনের অংশের শঙ্কু আকৃতি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি একটি সুরক্ষামূলক শক-ওয়েভ তৈরি করে। এই শক-ওয়েভ মিসাইলের গা ঢেকে রাখে এবং পিছনের কন্ট্রোল সারফেসগুলোকে অতিরিক্ত তাপ ও চাপ থেকে বাঁচায়।

এই কারণে YJ-20 পুরো উড্ডয়ন জুড়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারে। এটি হঠাৎ দিক বদলাতে পারে এবং শেষ মুহূর্তে প্রায় খাড়া কোণে নিচে নেমে এসে আঘাত হানতে পারে। অনেক স্ক্র্যামজেট-ভিত্তিক হাইপারসনিক মিসাইলে এই সমস্যা থাকে যে দীর্ঘ সময় উচ্চ গতিতে থাকলে কন্ট্রোল সারফেস ঠিকভাবে কাজ করে না। YJ-20 এই সমস্যার একটি বাস্তব ও নির্ভরযোগ্য সমাধান দিয়েছে।


প্রপালশন ও উড্ডয়ন পদ্ধতি

YJ-20 একটি দুই ধাপের প্রপালশন সিস্টেম ব্যবহার করে।

প্রথম ধাপে একটি শক্তিশালী রকেট বুস্টার মিসাইলটিকে খুব দ্রুত হাইপারসনিক গতিতে নিয়ে যায় এবং উচ্চতায় তুলে দেয়। এই পর্যায় শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়, যাকে বলা হয় বুস্ট-গ্লাইড ফেজ

এই পর্যায়ে মিসাইলটি আর পুরোপুরি ব্যালিস্টিক পথে চলে না। বরং এটি বাতাসের ভেতর দিয়ে গ্লাইড করতে থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দিক পরিবর্তন করতে পারে। এটি “স্কিপ-গ্লাইড” বা “পোরপয়জিং” ম্যানুভার করতে পারে—মানে একটু নামা, আবার একটু ওঠা—যার ফলে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা রাডার ও কম্পিউটার সিস্টেমের হিসাব গুলিয়ে যায়।

এই পদ্ধতি সাধারণ ব্যালিস্টিক মিসাইলের চেয়ে অনেক বেশি নমনীয় এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য বেশি কার্যকর।


গতি ও পরিসর (Performance)

গতি

YJ-20-এর গতি মাখ ৬-এর বেশি, অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ৭,৩০০ কিলোমিটার। শেষ ধাপে, যখন এটি টার্গেটের দিকে প্রায় খাড়া কোণে নামতে থাকে, তখন গতি মাখ ৯ বা এমনকি মাখ ১০ পর্যন্ত হতে পারে।

এই গতিতে মিসাইলটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এর মানে, শত্রুপক্ষের কাছে প্রতিক্রিয়া দেখানোর সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ড। রাডারে ধরা পড়া থেকে ইন্টারসেপ্ট করার মধ্যে সময় এত কম যে ভুল করার সুযোগ প্রায় নেই।

পরিসর

বিশেষজ্ঞদের মতে YJ-20-এর কার্যকর রেঞ্জ প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ কিলোমিটার। কিছু রিপোর্টে বলা হয় এর ন্যূনতম কার্যকর রেঞ্জ অন্তত ১,০০০ কিলোমিটার।

এই রেঞ্জের কারণে এটি “স্ট্যান্ড-অফ ওয়েপন” হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, শত্রু জাহাজের প্রতিরক্ষা রেঞ্জের বাইরে থেকেই আঘাত হানা যায়। এমনকি আধুনিক ফাইটার জেট যেমন F-35C-এর অপারেশনাল রেডিয়াসও প্রায় ১,১০০ কিলোমিটার। ফলে অনেক ক্ষেত্রে মিসাইল লঞ্চ প্ল্যাটফর্ম নিরাপদ দূরত্বে থাকতে পারে।


গাইডেন্স ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ

YJ-20 সম্ভবত পুরো উড্ডয়নের সময় স্যাটেলাইট-সহায়িত ইনারশিয়াল ন্যাভিগেশন ব্যবহার করে। মাঝপথে আপডেট নেওয়ার সুবিধাও থাকতে পারে।

শেষ ধাপে, যখন মিসাইল লক্ষ্যবস্তুর কাছে আসে, তখন এটি সক্রিয় রাডার বা ইনফ্রারেড সিকার ব্যবহার করে চূড়ান্ত টার্গেট লক করে। এই দুই ধাপের গাইডেন্স পদ্ধতি একদিকে গোপনীয়তা বজায় রাখে, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে নির্ভুল আঘাত নিশ্চিত করে।


ওয়ারহেড ও ধ্বংসক্ষমতা

YJ-20-এর ধ্বংসক্ষমতা শুধু বিস্ফোরকের ওপর নির্ভর করে না। এর আসল শক্তি আসে কাইনেটিক এনার্জি থেকে।

মাখ ৯ গতিতে চলা একটি ভারী বস্তু যখন আঘাত হানে, তখন তার গতিশক্তি নিজেই বিশাল ধ্বংস ডেকে আনে। এই শক্তি প্রায় ওয়ারহেডের বিস্ফোরণের সমান প্রভাব ফেলতে পারে। চীনা সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই গতিশক্তি ও বিস্ফোরণের মিলিত প্রভাব বিমানবাহী রণতরীর শক্তিশালী ডেকও ভেদ করতে সক্ষম।

📊 YJ-20 vs DF-21D vs SM-6: Missile Comparison Table

বৈশিষ্ট্যYJ-20DF-21DSM-6
দেশচীনচীনযুক্তরাষ্ট্র
ধরনHypersonic Anti-Ship MissileAnti-Ship Ballistic Missile (ASBM)Surface-to-Air / Anti-Ship Missile
মূল ভূমিকাবিমানবাহী রণতরী ধ্বংসবিমানবাহী রণতরী ধ্বংসবিমান, মিসাইল ও সীমিত অ্যান্টি-শিপ
লঞ্চ প্ল্যাটফর্মType 055 Destroyer (সমুদ্র)স্থলভিত্তিক (মোবাইল লঞ্চার)যুদ্ধজাহাজ (VLS)
গতিMach 6–9+Mach 10+ (টার্মিনাল)Mach 3–3.5
রেঞ্জ~1,000–1,500 কিমি~1,500–1,700 কিমি~240 কিমি
উড্ডয়ন ধরণBoost-glide, manoeuvrableBallistic trajectoryPowered flight
আক্রমণ কোণপ্রায় খাড়াখাড়াতুলনামূলক সমতল
টার্গেটিংAnti-ship (চলমান লক্ষ্য)Anti-ship (চলমান লক্ষ্য)Air / Missile / Limited ship
ডিফেন্স এভয়েডেন্সঅত্যন্ত উচ্চখুব উচ্চমাঝারি
কাইনেটিক এনার্জি প্রভাবখুব বেশিঅত্যন্ত বেশিতুলনামূলক কম
Carrier Killer?✅ হ্যাঁ✅ হ্যাঁ❌ না
কৌশলগত ভূমিকানৌ A2/ADস্থলভিত্তিক A2/ADনৌ প্রতিরক্ষা

টাইপ ০৫৫ ডেস্ট্রয়ারে সংযুক্তি

বর্তমানে YJ-20-এর প্রধান প্ল্যাটফর্ম হলো টাইপ ০৫৫ রেনহাই-ক্লাস ডেস্ট্রয়ার। এটি চীনের সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি, যার ওজন প্রায় ১০,০০০ থেকে ১৩,০০০ টন।

এই জাহাজে মোট ১১২টি ভার্টিক্যাল লঞ্চ সিস্টেম (VLS) সেল রয়েছে। এই সেলগুলো থেকে বিভিন্ন ধরণের মিসাইল ছোড়া যায়—আকাশ প্রতিরক্ষা, অ্যান্টি-শিপ, ল্যান্ড অ্যাটাক ইত্যাদি।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরীক্ষায় দেখা যায়, YJ-20 একটি VLS সেল থেকে কোল্ড লঞ্চ পদ্ধতিতে বের হয়। প্রথমে গ্যাসের চাপ দিয়ে মিসাইল বের করা হয়, তারপর রকেট ইঞ্জিন জ্বলে ওঠে। এতে জাহাজের ওপর চাপ কম পড়ে এবং দ্রুত একের পর এক মিসাইল ছোড়া সম্ভব হয়।

২০২৫ সাল পর্যন্ত অন্তত ৮টি টাইপ ০৫৫ জাহাজ সক্রিয় রয়েছে এবং আরও কয়েকটি নির্মাণাধীন। এটি বোঝায় যে চীন দীর্ঘমেয়াদে এই প্ল্যাটফর্ম ও অস্ত্র ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে।


কৌশলগত প্রভাব ও নৌযুদ্ধের পরিবর্তন

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

YJ-20 আধুনিক নৌ প্রতিরক্ষা ধারণাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বর্তমান অনেক সিস্টেম সাবসনিক বা সুপারসনিক মিসাইল ঠেকানোর জন্য তৈরি। কিন্তু হাইপারসনিক গতি, খাড়া আক্রমণ কোণ এবং হঠাৎ দিক বদল—এই তিনটি মিলিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত কয়েক সেকেন্ডে চাপে পড়ে যায়।

রেঞ্জের অসামঞ্জস্য

YJ-20-এর রেঞ্জ অনেক বেশি, অথচ প্রতিরক্ষা মিসাইলের রেঞ্জ তুলনামূলক কম। এর ফলে আক্রমণকারী পক্ষ নিরাপদ দূরত্বে থেকেই আঘাত হানতে পারে, কিন্তু প্রতিরক্ষাকারী পক্ষের পাল্টা আঘাত করার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

স্যাচুরেশন অ্যাটাক

টাইপ ০৫৫ জাহাজ একসঙ্গে বহু মিসাইল ছুড়তে পারে। যদি একাধিক YJ-20 একসাথে ছোড়া হয়, তাহলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একসাথে সব টার্গেট সামলাতে হিমশিম খাবে। এটিকে বলা হয় থ্রেট স্যাচুরেশন


বৃহত্তর A2/AD কৌশলের অংশ

YJ-20 চীনের বৃহত্তর Anti-Access / Area Denial (A2/AD) কৌশলের একটি অংশ। এর সঙ্গে রয়েছে স্থলভিত্তিক ব্যালিস্টিক মিসাইল, আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র এবং সাবমেরিন-ভিত্তিক সিস্টেম। এই বহুস্তর আক্রমণ কাঠামো শত্রুপক্ষকে একসঙ্গে বিভিন্ন দিক ও উচ্চতা থেকে আসা হুমকির মুখে ফেলে।


বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ

২০২৫ সালের “ফাইনালাইজেশন টেস্ট” ইঙ্গিত দেয় যে YJ-20 এখন উৎপাদনের খুব কাছাকাছি বা ইতিমধ্যেই সীমিত উৎপাদনে রয়েছে। এটি চীনের নৌবাহিনীকে প্রথম দ্বীপমালার বাইরে পর্যন্ত কার্যকর আঘাত হানার ক্ষমতা দেবে।

FAQSসংক্ষিপ্ত  উত্তর
YJ-20 কী?YJ-20 হলো চীনের তৈরি একটি হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, যা বিমানবাহী রণতরী ও বড় যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের জন্য তৈরি।
YJ-20-এর সর্বোচ্চ গতি কত?এই মিসাইলের গতি মাখ ৬-এর বেশি এবং টার্মিনাল পর্যায়ে মাখ ৯–১০ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
YJ-20 কেন “Carrier Killer”?কারণ এটি আকাশ থেকে খাড়া কোণে নেমে এসে সরাসরি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ডেকে আঘাত হানে এবং ভয়ংকর কাইনেটিক এনার্জি তৈরি করে।
YJ-20-এর রেঞ্জ কত?বিশ্লেষকদের মতে এর কার্যকর রেঞ্জ প্রায় ১,০০০–১,৫০০ কিলোমিটার।
YJ-20 কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে ছোড়া হয়?বর্তমানে এটি প্রধানত Type 055 Renhai-class destroyer থেকে Vertical Launch System (VLS) ব্যবহার করে উৎক্ষেপণ করা হয়।
YJ-20 বনাম সাধারণ ক্রুজ মিসাইল—পার্থক্য কী?YJ-20 হাইপারসনিক গতিতে চলে ও খাড়া কোণে আঘাত হানে, যেখানে সাধারণ ক্রুজ মিসাইল সাবসনিক/সুপারসনিক ও তুলনামূলক ধীর।
YJ-20 কি মার্কিন ক্যারিয়ারের জন্য হুমকি?হ্যাঁ। এর উচ্চ গতি, দীর্ঘ রেঞ্জ ও স্বল্প প্রতিক্রিয়া সময় মার্কিন নৌ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বড় চ্যালেঞ্জে ফেলে।
YJ-20 কি এখন অপারেশনাল?২০২৫ সালের শেষ দিকে ফাইনালাইজেশন টেস্ট সফল হওয়ায় ধারণা করা হয় এটি সীমিত বা পূর্ণ অপারেশনাল পর্যায়ে রয়েছে।

উপসংহার

YJ-20 হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল চীনের নৌ-আঘাত ক্ষমতায় একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। এর উচ্চ গতি, দীর্ঘ রেঞ্জ, উন্নত নকশা ও শক্তিশালী ধ্বংসক্ষমতা আধুনিক নৌযুদ্ধের হিসাব পাল্টে দিচ্ছে।

এই মিসাইল শুধু একটি নতুন অস্ত্র নয়; এটি একটি কৌশলগত বার্তা। এটি দেখায় যে চীন প্রযুক্তি, উৎপাদন ও সামরিক পরিকল্পনায় দ্রুত এগোচ্ছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কাজ করা নৌবাহিনীগুলোর জন্য YJ-20 ভবিষ্যতের যুদ্ধ কেমন হতে পারে, তার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যদি আপনার কোনও বিষয়ে ডাউট থাকে বা কোনও বিষয় suggest করতে চান তাহলে মেল করুন!

নবীনতর পূর্বতন

banglafacts 4